অদ্ভুত কিছু ভালবাসায়
আমি তোমাকে একেঁছি,
সূর্যের লাল রঙটায় সাজিয়েছি
ভাল লাগার সব মুহূর্ত।।
মাঝে মাঝে নীল তুলির রঙে আর সবুজের খেলায় বানিয়েছি রঙধনু,
সেই রঙধনুতে এখনো লিখছি
তোমাকে নিয়ে ছন্দহীন সব কবিতা ।
গড়ছি নতুন সব স্বপ্ন-
আবারো পালাবো আমি তোমাকে নিয়ে- অনেক দূরে কোথাও অচীন কোন মায়াপুরীতে।
ভালবাসবো তোমাকে ভীষণভাবে-
একলাই আমার করে।।
আমি খুবি সাধারণ একজন। ভালবাসি বই পড়তে। ভালবাসি ভ্রমণ করতে। Mobile No- 0914139916, 01614139916 afaruque.faruque@gmail.com www.facebook.com/aktar.faruque.ctg
বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৭
নতুন স্বপ্ন।
সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭
সফলতা কতদূর?
অনেক দূরের একটি পাখি দেখিয়ে দু'জনকে দুটি রাইফেল দেয়া হল। প্রথমজন রাইফেল তাক করার পর তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তুমি রাইফেলের ল্যান্সে কী দেখতে পাচ্ছো?
সে জবাব দিল, পাখিটিকে দেখতে পাচ্ছি।
আর কী দেখতে পাচ্ছো ?
দেখতে পাচ্ছি পাখিটি একটি গাছের উপরে বসে আছে। গাছের কিছু ডাল; পাতা দেখতে পাচ্ছি।
আর?
ক্যামেরার শেষ মাথায় আকাশ
দেখতে পাচ্ছি। আকাশ মেঘলা।
দ্বিতীয়জনকেও একই প্রশ্ন করা
হল।
তার জবাব ছিল, রাইফেলের ল্যান্সে পাখিটির মাথা ছাড়া সে আর কিছুই দেখতে পাচ্ছে না।
আমরা বেশিরভাগ মানুষ প্রথম মানুষটির মত। আমাদের জীবনের নিশানা অস্পষ্ট। মূল লক্ষ্যবস্তুর আশে পাশে আরও অনেক ভিউ চলে আসে। শিকারির ল্যান্সে শুধু পাখিটিকে দরকার; মেঘলা আকাশ না।
মারিও কুওমোর কথা মনে পড়ছে।
তিনি বলে ছিলেন- 'মাত্র দুটি উপায়ে সফল হওয়া যায়!
একটি হচ্ছে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া।"
সঠিক লক্ষ্য' শব্দ দুটির দিকে
ভাল ভাবে তাকান। আপনি সব কাজ
করতে পারবেন না। আপনাকে দিয়ে
সব কাজ হবে না। তার মানে এই না
যে আপনি পরাজিত।
'পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি'
কথাটি আসলে পুরোপুরি ঠিক না।
পরিশ্রম কখনো কখনো পণ্ডশ্রম ও হয়।
ডারউইন যদি ফুটবল প্লেয়ার হবার চেষ্টা করত তাহলে কেমন হত ?
মাহাত্না গান্ধী দিন রাত সঙ্গীত
চর্চা করলে কী ভুলটা হত ভাবা
যায় ?
রবীন্দ্রনাথ কিন্তু ব্যারিস্টার হতে গিয়েও পারেন নি। নিজেকে বোঝার জন্য সময় নিন।
পার্কের বেঞ্চে বসে বসে বাদাম খেয়ে জীবন পার করে দেবার জন্য আপনার জন্ম হয়নি। অনেক হেরেছি
এখন চিত হয়ে বালিশ ছাড়া ফ্লোরে
শুয়ে শুয়ে হাউমাউ করার জন্য
আপনাকে সৃষ্টি করা হয়নি। আপনার ভেতরে যা কিছু আছে বিশ্বাস করুন
সেটা আর কারো ভেতরে নেই।
একটা কাগজ কলম নিয়ে নিচের
প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে ফেলুন।
১- আপনি কেন বেঁচে আছেন।
২- লাইফে কী করতে চান ?
৩- কেন করতে চান ?
৪- সেটা করতে হলে আপনাকে কী
করতে হবে ?
৫- কেন আপনি ব্যর্থ হবেন না ?
শিব খেরার একটি বই আমি অনেক
দিন আমার সাথে রেখে দিয়েছিলাম। বইটি পড়ার জন্য না; শুধু মাত্র বইটির প্রচ্ছেদের জন্য।
সেখানে বড় বড় করে লেখা আছে '
বিজয়ীরা ভিন্ন ধরনের কিছু করে
না, তারা একই কাজ ভিন্নভাবে
করে'। আমি আমার আশে পাশের সফল এবং ব্যর্থ মানুষের মাঝে একটাই
পার্থক্য দেখি। একদল লেগে
থাকে। আকড়ে ধরে রাখে। কামড়
দিয়ে ঝুলে থাকে। আরেকদল ছেড়ে
দেয়। দাড়িয়ে যায়। পালিয়ে যায়।
টপ করে হাত ফসকে পরে গেছে ?
মাত্র এক নাম্বারের জন্য মিস হয়ে গেছে ? একদম দ্বারপ্রান্তে এসে ফলাফল জিরো ? কোন সমস্যা নাই! লেগে থাকুন... লেগে থাকুন। আঠার মত লেগে থাকুন। হেরে গেছেন? বার বার ? অনেকবার ? এখন কী করবেন ? লেগে থাকুন... ঝাপটে ধরে ঝুলে থাকুন।
এডিসনের একটি কথা আমাকে খুব
অনুপ্রাণিত করে। - ' আমি বলবনা আমি ১০০০ বার হেরেছি, আমি বলব
যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ
বের করেছি'
কেন আপনি পারবেন না ? আপনার
আইকিউ লেভেল অনেক কম ? আপনি
সব সময় যুক্তি তর্কে হেরে যান ? কিছু একটা করে চারপাশে তাক লাগিয়ে দেবার মত ক্ষমতা আসলে আপনার নেই ?
মনে রাখবেন; আপনার ভেতরে যা
কিছু আছে আর যা কিছু নেই সেটা
স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা আপনাকে দিয়েছে। এবং তিনি যথার্থই দিয়েছেন। তিনি কখনো ভুল করেন না।
-------------------------------
শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭
সে নেই-
আমার প্রতি যার নিরব অভিশাপ বিদ্যমান তার জন্য আমি মনে মনে প্রার্থনা করি।
উত্তরের বাতাসে মেলে ধরি ভুলের সংবিধান,
সময়ের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখি শূন্যের মানচিত্র।
চোখের ভিতর লুকিয়ে রেখেছি ঢেউ ও নদীর গল্প,
আর তার জন্য বুকের মাঝারে জ্বেলে রেখেছি মঙ্গল প্রদিপ......
কাল্পনিক কথোপকথনে সে আমাকে যতই অপমানিত করুক না কেন,
আমি জানি- তার গভীরে মন ও মোহের বিবাদ আছে।
অযোগ্যতার অজুহাতে আমি তাকে বারবার ফিরিয়ে দিয়েছি,
বলেছি ঝড়ের কথা,
প্রজাপতি আর রাত জাগা পাখির কথা,
মধ্যবিত্তের অপারগতার কথা
সে শুনতে চায়নি.......
আমি আজও উল্টো পথে হাঁটি,
মধ্যবিত্ত শরীর নিয়ে ঘুম ও খুনের ব্যবধান খুঁজি।
যা পাইনি তার যোগ্য আমি নই,
তবু যাতনার দাহে জ্বলছে আমার ভিতর-বাহির।
অনুভূতিহীন বোধের প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে আমি তাকে হাতড়ে বেড়াই,
সে নেই,
কোথাও সে নেই,
আমার কিছু নেই......
------------------------------
বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
শুধু তুমি
সব কবিতার শেষ লাইনে তুমি,
সব গল্পের শুরুতে তুমি।
ভোরের কুয়াশায় তুমি,
বিকেলের আবছা আলোয় তুমি।
সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায় তুমি,
রাতের নীরবতায় তুমি,
আমার সব মৌনতায় তুমি।
আমার সমস্ত অনুভূতি জুড়ে তুমি,
গভীর রাতের শিরোনাম তুমি!
আমার সবকিছুই তুমিময়-
কোথাও যেতে পারি না
চারিদিকে তুমি অন্তহীন।
রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
জীবন মানে এক ম্যারাথন দৌড়!!
একবার দৌড় প্রতিযোগিতায় ৫০ জন দৌড়বিদ অংশ নিয়েছিলেন। ত্রিশ মাইলের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা। দৌড়বিদদের মধ্যে ১০ জনের বয়স ছিল চল্লিশ বছরের ঊর্ধ্ব। ১৫ জনের বয়স ছিল ত্রিশ বছর করে। আর বাকি ২৫ জন ছিল সদ্য যৌবনে পা দেওয়া তরুণ, যাদের বয়স ১৮-২২ বছরের মধ্যে।
যখন দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হলো, তার ১০-১২ মিনিটের মধ্যেই দেখা গেল— অল্প বয়সী দৌড়বিদেরা তিন-চার মাইল পথ অতিক্রম করেছে। ত্রিশ বছরের দৌড়বিদেরাও অনেকদূর এগিয়েছেন। কিন্তু চল্লিশ বছরের অধিক বয়সের দৌড়বিদেরা এক মাইল পথও অতিক্রম করতে পারেন নি। দর্শকরা টিভির পর্দায় এই দৌড়প্রতিযোগিতা দেখছিলেন। অনেক দর্শক তাদের নিজ নিজ পর্যবেক্ষণ-শক্তি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করতে লাগলেন। কেউ বললেন, এই বুড়ো লোকগুলোকে এখানে নামানোই ভুল হয়েছে। কেউ বললেন, গাধা দিয়ে কি আর হালচাষ হয়?
যখন ম্যারাথন দৌড় শেষ হলো, তখন দর্শকরা ভীষণ অবাক হলো। কেননা, প্রতিযোগিতায় যে দু’জন প্রথম-দ্বিতীয় হয়েছেন, তাঁদের বয়স চল্লিশ বছরের ঊর্ধ্বে।
আসলে ম্যারাথন দৌড় একটা দীর্ঘ প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় ধৈর্য-বুদ্ধি-শক্তি সবকিছুরই প্রয়োজন হয়। যে অল্প বয়সী তরুণরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল, তাদের প্রচণ্ড শারীরিক শক্তি ছিল। কিন্তু তারা ছিল অনভিজ্ঞ। তাইতো তারা প্রথমে খুব জোরে দৌড়িয়ে প্রথম ঘন্টাতেই পনের-ষোলো মাইল পথ পাড়ি দিয়েছিল। এরপর তাদের দম-শক্তি ফুরিয়ে যাওয়ায় আর দৌড়াতে পারেনি। পক্ষান্তরে, যাঁরা অভিজ্ঞ ছিলেন তাঁরা প্রথমে খুব ধীরে দৌড়েছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে কোনোভাবেই যেন দম-শক্তি ফুরিয়ে না যায়।
আমাদের জীবনও একটা ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা। বলা যায়, ম্যারাথনের ম্যারাথন। এই ম্যারাথনে জয়ী হতে প্রয়োজন ধৈর্য-বুদ্ধি-অভিজ্ঞতার ঝুলিকে সমৃদ্ধ করা। অল্প বয়সী তরুণরা অনেক ভুল করে। অনেক সময় তারা যে ভুলটি করছে, সেই ভুলকেই তাদের কাছে শতভাগ সঠিক বলে মনে হয়! এটা অবশ্য তাদের দোষ না, তাদের বয়সের দোষ! বয়স বাড়ার সাথে সাথে পূর্বের ভুলগুলো তাদের চোখে ভেসে ওঠে এবং তারা অনুতপ্ত হয়।
জীবনের ম্যারাথনে জয়ী হতে ধৈর্যশীল ও পরিশ্রমী হতে হবে— এটা চিরন্তন সত্য। এর চেয়েও বড় সত্য, সবকিছুর আগে নিজের চরিত্রকে ঠিক রাখতে হবে। চরিত্রবান তরুণদের জীবনের ট্রেন কখনো লাইনচ্যুত হয় না। হয়তো তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে একটু দেরি হয়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট গন্তব্যে একদিন না একদিন তারা পৌঁছাবেই।
শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
ভালোবাসা কী?
সংজ্ঞা খুঁজে যাচ্ছি
ডিকশনারির পাতা ঘেটে শেষ করে ফেলেছি
নেট এ খুঁজে যাচ্ছি সেই কত কাল ধরে
এখনো জানতে পারি নি-
ভালোবাসা কি?
তোমার সাথে কথা না হলে যে কষ্ট হয় বুকে
তার নাম কি ভালোবাসা?
তোমায় না দেখলে মনটা যেমন উদাস হয়ে ওঠে
সে কি ভালোবাসা?
তুমি অভিমান করলে মনের মাঝে যে উথাল পাথাল ঝড় বয়ে যায়
তার নামই কি ভালোবাসা?
তোমায় খুঁজে না পেয়ে যে ছন্নছাড়া দিন কাটাই
তাকে কি ভালোবাসা বলে?
কি জানি!
কিছুতেই ভালোবাসার মানে বুঝতে পারি না।
কেউ বলে ভালোবাসা একটা অনুভুতি
যা চাইলেও পাওয়া যায় না,
আবার অনেক সময় না চাইতেও পাওয়া যায়।
কেউ কেউ এত বেশি পায় যে ভালোবাসার যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে যায়;
যেমন তুমি।
আবার অনেকে ভালোবাসা না পেয়েও যন্ত্রণায় কাতরায়
ভালোবাসার কাঙাল হয়ে থাকে
যেমন আমি।
তোমার ভালোবাসার পথ চেয়ে থাকি
আর ভালোবাসার মানে খুঁজে বেড়াই
শুধু তুমিই বুঝ না
কিংবা বুঝেও না বুঝার ভান ধরে থাক
আমায় কষ্ট দিতে।
ভালোবাসা কি জ্যোৎস্নার চেয়ে সুন্দর?
ভালোবাসা কি কবিতার চেয়ে কষ্টের?
ভালোবাসা কি ফুলের সৌরভ?
ভালোবাসা কি সাগরের বিশালতা?
কিংবা নদীর বয়ে যাওয়া জল?
আমি বুঝতে পারি না
আমার কাছে ভালোবাসা মানে
তোমার বাড়ানো হাত আমায় কাছে টানার কিংবা "শুধুই তুমি"।
আমি কষ্ট কষ্ট সুখ পেয়ে যাচ্ছি
তোমার প্রতিক্ষার প্রহর গুনে
তুমি যেন আবার কষ্ট কষ্ট দুঃখ পেয় না
ভালোবাসার নষ্ট খেলা খেলতে গিয়ে।
বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭
ফেসবুক স্টেটাস!
ভাবনা।
চাকুরীজীবি : কাল ছুটি।
ব্যবসায়ী : দৌড়ের উপর আছি।
আইটি স্পেশালিস্ট : অফিস
ফাঁকি দেওয়ার সফটওয়ার আসছে বাজারে।
ছাত্র : পড়তে ভাল লাগছে না।
ছাত্রী : আমার যে কি হবে? কাল
পরীক্ষা, কিন্তু কিছুই মনে থাকছে না।
তরুণ : সে কেন আমায় বুঝল না?
তরুণী : একটু পর শপিং-এ যাব।
বেকার : জোশ্ একটা সিনেমা দেখলাম।
কবি : পূর্ণিমা চাঁদ নিশি রাত
কালো মেঘের ছাঁয়া।
প্রেমিক : শালা! সব মেয়ে একই রকম।
প্রেমিকা : আজ মনটা ভালো নাই।
খেলোয়াড় : শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপটা কোন দেশ যে নেয়!
গায়ক : এবারের এলবামটা প্রকৃত
শ্রোতাদের কথা ভেবে সাজানো হয়েছে।
গায়িকা : আমার নতুন এলবামটা ফেসবুক
বন্ধুদের উৎসর্গ করলাম।
নায়ক : রাতে ফ্লাইট, নতুন ছবির
কাজে সিঙ্গাপুর যাচ্ছি।
নায়িকা : আমার নতুন ছবিটি সব বয়সের
দর্শকেরই পছন্দ হবে।
সরকারী দলের লোক : এদেশে হরতালের
আর জনগন খায় না।
বিরোধী দলের লোক : আর ডিজিটাল
চাইনা। গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ চাই।
সবকিছুর দাম নাগালের মধ্যে চাই।
----------------------------
একুশের আক্ষেপানুরাগ
বেশ কয়েক বছর থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারির অঙ্গীকার ছিল অফিস আদালতে শতভাগ বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা। বিদেশী ভাষার ব্যবহার কমানো, ব্যানার, ফেস...
-
আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে ত্রিশোত্তর যুগের কবিদের মধ্যে জীবনান্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) সর্বশ্রেষ্ঠ। মনন, মেধায়, চিন্তা-চেতনায়, চিত্রকল্প রচনা...
-
বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ (মহাকাব্যাংশ) -মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) কবি পরিচিতি : মাইকলে মধু...
-
প্রমথ চৌধুরী বলে ছিলেন, "বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে, নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে".... চট্টগ্রামের মানুষ হিসেবে ব্যপারটা আসলেই চিন্তা...