বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০

নিজের সন্তানকে একটু সময় দিন।

ছোট্ট একটা গল্প বলবো আজ। এই গল্পে স্থান বিষয়টা সম্পূর্ণ আপেক্ষিক। হতে পারে গল্পটা অ্যামেরিকার, অথবা অস্ট্রেলিয়ার, আবার হতে পারে গল্পটা আমাদের বাংলাদেশের কোন এক পরিবারের। গল্পটা হয়তো মিথ্যা, আবার হয়তো-বা সত্য।
এই গল্পের চরিত্র মাত্র দুইটি। এক বাবা আর তার এক সন্তান। অন্য কোন চরিত্রের কোনরকম প্রয়োজন নেই এই গল্পে। তাহলে শুরু করি।
গল্পের খাতিরে ধরে নেই, সন্তানের নাম 'জিমি'। জিমির বয়স কতো আর হবে, হয়তো ৬ বছর, আবার হয়তো-বা ৭ বছর। কোন এক রাতে জিমি তার রুম থেকে তার বাবার রুমে আসলো। তার বাবা তখন অফিসের কোন একটা প্রজেক্টের হিসাব করতে ব্যস্ত।
- বাবা, কি করছো তুমি?
             --- এইতো জিমি, আমি একটু ব্যস্ত। কিছু বলবে?

- বাবা, কাল ছুটির দিন। কালকে তুমি আমাকে একটু ঘুরতে নিয়ে যাবে, অনেকদিন চিড়িয়াখানা যাই না, আমাদের বাসা থেকে তো খুব কাছেই।

--- না, কালকে সারা সকাল আমার কাজ আছে, বিকালে পার্টি আছে। তুমি এখন যাও, ঘুমাও।

জিমি চুপ করে কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকলো। জিমি দাঁড়িয়ে আছে দেখে তার বাবা কাজ থামিয়ে আবার বললো,

--- দাঁড়িয়ে আছো কেন? আর কিছু বলবে?
  - একটা প্রশ্ন করি, বাবা। হোমওয়ার্ক এর একটা অংক মেলাতে পারছি না। অংকটা এরকম, ধরা যাক, তোমার বেতন মাসে ৪,০০০ ডলার। তুমি মাসে ২০০ ঘন্টা কাজ করলে, তাহলে তোমার ঘন্টা প্রতি আয় কতো? 
--- খুবই সহজ অংক। ২০ ডলার।
             - বাবা, আর একটা কথা বলি। তুমি আমাকে ১০ ডলার দিবে? রং-পেন্সিল কিনতাম। আমার রং-পেন্সিল শেষ হয়ে গেছে।
  --- জিমি, তুমি ইদানিং অমনোযোগী হয়ে গেছো। সাধারণ একটা অংক আজকাল তুমি করতে পারো না। তুমি পড়তে যাও। তোমাকে আমি রং-পেন্সিল কিনে দিবো না।
পরের দিন বিকাল বেলা। আজ ছুটির দিন। জিমির বাবা এখন পার্টিতে যাবেন। প্রতি ছুটির দিনে বিকালে তিনি তার ফ্রেন্ড-সার্কেল নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দেন। যাওয়ার আগে কি যেন মনে করে তিনি একবার জিমির রুমে গেলেন। দেখে বিছানায় জিমি চুপচাপ শুয়ে আছে।
--- জিমি, এই নাও ১০ ডলার, রং-পেন্সিল কিনে নিও। আমি এখন বাইরে যাচ্ছি।
             - ১মিনিট বাবা।
             জিমি বাবার হাত থেকে ১০ ডলারের নোট-টা নিলো। এরপর দৌড়ে গিয়ে তার ড্রয়ার থেকে কি যেন নিয়ে আবার তার বাবার কাছে আসলো।
- বাবা, স্কুলের টিফিনের পয়সা জমিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১০ ডলার জমা করেছি, আর তোমার দেয়া এই ১০ ডলার নিয়ে আমার কাছে এখন মোট ২০ ডলার আছে। এই নাও ২০ ডলার, তোমার মাত্র এক ঘন্টার ইনকাম। বাবা, তুমি কি আমাকে একটা ঘন্টা সময় দিবে ... অনেকদিন তোমাকে কাছে পাই না ... অনেকদিন তোমার সাথে ঠিকমতো গল্প করা হয় না...

(প্লিজ প্রতিদিন কিছু সময় সন্তানদের জন্য রাখুন)

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০

এক চিলতে হাসি।

আমি নোনা জলে সিক্ত ঠোটে
একচিলতে হাসি চাই,
আমি সমুদ্রতীরে গোধূলী লগ্নে
নগ্ন পায়ে হাটতে চাই।
আমি পাহাড় চূড়ায় দাঁড়িয়ে
চিৎকার করে বলতে চাই- ভালোবাসি!
অনেক বেশী ভালোবাসি তোমায়।
শুধু তোমার জন্য-
আমি আর একবার হাসতে চাই,
আর একবার প্রানখুলে বাচতে চাই। আর একবার নিশ্বাস ভরা বুকে
বলতে চাই- ভালোবাসি!
অনেক বেশী ভালোবাসি তোমায়!

প্রত্যেক পুরুষের সফলতার পিছনে একজন নারীর হাত আছে”.

থাইল্যাণ্ডের একটি কুমিরের খামারে একটি কোম্পানির বার্ষিক বনভোজন চলাকালীন কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঘোষণা করলেন যে, _কোনও কর্মচারী যদি কুমিরে ভরা এই পুকুর সাঁতরে এপার থেকে ওপারে রজ জীবন নিয়ে বেঁচে উঠতে পারে তবে সে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাবে আর যদি সে মারা যায় তবে তাঁর পরিবার ২ মিলিয়ন ডলার পাবে।_

দীর্ঘক্ষণ ধরে কেউই চ্যালেঞ্জ নিতে সাহস করেনি। তারপর হঠাৎ একজন ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার জীবনহানির কথা ভেবে পাড়ে দাঁড়ানো সবাই আফশোষ করতে থাকে।

তবে সৌভাগ্যক্রমে সে অক্ষত অবস্থায় পুকুরটি পার হতে সক্ষম হয়। হাঁপাতে হাঁপাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর কোম্পানির চেয়ারম্যান মিলিওনেয়ার ব্যাংক চেক সেই কর্মচারীটির হাতে তুলে দেয়। কিন্তু সে কর্মচারীটি চেঁচিয়ে বলতে থাকে, “আমাকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?” দুর্ভাগ্যক্রমে পরে জানতে পারলো, কাজটি তার স্ত্রীই করেছিলেন।

এবং সেই দিন থেকে এই প্রবাদটির সৃষ্টি হয় যে, _"প্রত্যেক পুরুষের সফলতার পিছনে একজন নারীর হাত আছে”...
😂🤣😂

রবিবার, ১ মার্চ, ২০২০

ভারত গাজওয়াতুল হিন্দের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

হিন্দু ধর্মে স্বামী-স্ত্রী *** করার পর গোসল আবশ্যিক নয়। কাপড় চেঞ্জ করলেই যথেষ্ট। কই কোনদিন তো কোন মুসলমান গর্ব বা অহংকার করে বলেনি তোমরা আবর্জনার মত নোংরা জাতি!
ভারতের অঘোরি তান্ত্রিক সাধুরা মৃত হিন্দু নারীর সাথে সেক্স করেন! কোন মুসলমান আজ পর্যন্ত কোন মৃত মুসলমান নারীর সাথে এই কাজ করার সাহস পায়নি! নাভীর নিচে চুল যাকে মেডিকেল ভাষায় বলা হয় পিউবিক হেয়ার, বাংলা ভাষায় চুল, হিন্দি ভাষায় বাল বলা হয়! হিন্দু নর-নারীরা এটাকে পরিষ্কার না করেই কয়েক বছর কাটিয়ে দেন। এক বছরে ১২ বার মেন্সট্রুয়েশন সাইকেল বা ঋতুচক্র হয় এতটা অপরিষ্কার থাকে তারা অন্যদিকে মুসলমানদের ৪০ দিনের মধ্যে এটা ছেটে ফেলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে! কই কখনো কোন মুসলিম বলেছে তোমরা পশুর মত জাতি?

ছেলেদের যৌনাঙ্গের মাথায় এক্সট্রা চামড়া থাকে যাকে মেডিকেল ভাষায় বলা হয় প্রোপিউস! এটা মুসলিম'রা সুন্নতে খাৎনার মধ্য দিয়ে কেটে ফেলে! অন্যদিকে হিন্দুরা এটা রেখে দেয়, রেখে দেয় বলেই এর মধ্যে ময়লা জমে। প্রত্যেক মুসলিম দিনে বা রাতে যখন'ই ইউরিন আউটপুট (প্রস্রাব) করে তারা পানি দিয়ে ধৌত করে নেয়। কিন্তু হিন্দুরা? তারা করে না। কই কোনদিন কোন মুসলমান হিন্দুদের তাচ্ছিল্য করে বলেনি যে~ তোমরা তো পশুর সমতূল্য কারণ পশুরা প্রস্রাব করে পানি নেয় না!!

একটা মুসলিম মারা গেলে তাকে অত্যন্ত আদর যত্ন করে গোসল করানো হয়, সাদা কাপড় পরিধান করে আতর সুগন্ধি দিয়ে কবরে রাখা হয় অন্যদিকে একজন হিন্দু মারা গেলে নেই কোন গোসল নেই কোন পরিচ্ছন্নতা। সোজা শশ্মান ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে কাক টয়লেট করে মাঝে মাঝে বিড়াল ও টয়লেট করে। পরিবেশ দূষণ করে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে অমানুষের মত একটা মৃতদেহকে পোড়ানো হয়। কেউ কোনদিন অহংকার করেছে এটা নিয়ে? না করেনি।

যেখানে মুসলিম'রা গরুর মাংস এবং দুধ সেবন করে সেখানে এই হিন্দু জাতি গরুর মূত্র এবং গোবর সেবন করে! এটা নিয়েও কোন মুসলমান আজো হামলা করেনি। কোর'বানি আসলেই হিন্দুদের হাহাকারের বন্য বয়ে যায়! ইসস আহারে কি অমানুষ মুসলিম'রা। কত পাশবিক ভাবে জবাই করে। কিন্তু অন্যদিকে হিন্দুরা লালশাক, পালংশাক, ডাঁটাশাক, পুঁইশাক ইত্যাদি কুচি কুচি করে কেটে যখন জবাই করে তখন? তখন কি কথা বলতে যাই? মা কালীর সামনে এক কোপে পাঠাকে বলি দিলে বুঝি পাঠার কষ্ট হয় না?

বেশ্যা পাড়া অর্থাৎ~ পতীতাপল্লীর মাটি দিয়ে দূর্গাপূজার মূর্তি তৈরি করা হয়, আজ পর্যন্ত কোন মুসলিম পতীতাপল্লীতে গিয়ে সিজদাহ দিয়েছে? নামায পড়েছে? এইসব বিষয় নিয়ে দাড়িওয়ালা, টুপিওয়ালারা মন্তব্য করেছে? করেনি। ১২ মাসে প্রায় ৩৬ টা পূজা, সেই পূজায় আগুনের ধোয়া, মন্ডপে গিয়ে মদ্যপান করা, ঢোলের তীব্র শব্দে শব্দ দুষণ! কই বছরে মাত্র দুইটা ঈদ। দুই ঈদে কোন আগুনের ধোয়া নেই, শব্দ দূষণ নেই। ঈদগাহ মাঠে কোন মদ্যপান করার সাহস আজ পর্যন্ত কারো হয়নি।

ইন্ধিরা গান্ধী পারমাণবিক বোমা ফুটালে ওয়াও গুড গুড বলে চিৎকার দিয়ে বলা হয়~ এটা হিন্দুস্থানের জয়। সামরিক শক্তির জয়। কোন মুসলমান তো এসবের ভিতরে নাক গলায় না। কিন্তু পাকিস্থানের কাদির খান পারমাণবিক বোমা ফুটালে.. অহ্নো অহ্নো এরা সন্ত্রাসী, এরা ইসলামিক বোমা বানাইছে বলে চিৎকার কেন করা হয়?

সর্বশেষঃ-
********
উপরোক্ত ঘটনা বিবেচনা করে, এতটা নোংরা আবর্জনায় ডুবে থাকা জাতিকে আমরা ভাই বলি।
আমরা বোন বলি। কিন্তু এই হনুমানের জাতির বাসায় কোন মুসলমান গেলে তারা গোবর দিয়ে পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেয়~ মোল্লা, কাঠমোল্লা, মুসলমান আসলে গরুর গোবরের চেয়েও নিকৃষ্ট জাতি। তবুও আমাদের সমস্যা নেই।

[২]

তাহলে সমস্যা কোথায়? পুরো বিশ্বে জঙ্গী হামলা হলে মুসলিম'রা ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ করে। আজ ভারতে জঙ্গী হামলা, প্রকাশ্য হামলা হচ্ছে। তো বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠন যেমন- ইসকন, হিন্দু খ্রিস্টান বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ কেন ব্যানার নিয়ে ভারতের হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে না? কেন? কারণ আমরা যাদেরকে ভাই বলে ডাকি এরা আসলে ওদের'ই শাখা। আজ ওরাই মুসলমানের হাতে তসবিহ উঠিয়ে দিয়ে নিজেরা বন্দুক হাতে নিয়েছে। ওরা বন্দুকের গুলি ফুটাবে আর মুসলমান তসবিহ হাতে তামাশা দেখবে??
তবুও কিন্তু সমস্যা নেই। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

যেখানে মূল সমস্যাঃ-
******************
হিন্দুরা মসজিদে আগুন দেয় আর ইসলাম ধর্ম মন্দির রক্ষা করতে শেখায়। ব্যস! কিছু সুশীল, কিছু প্রগতিশীলরা এই বাণী আজ মুসলমানের পানিতে গুলিয়ে খাওয়াচ্ছে। এর অর্থ হলো.. ওরা আগুন দিয়ে আল্লাহর কোর'আন , আল্লাহর ঘর আগুন দিয়ে পুড়াবে আর মুসলমান নিজের ধর্ম নিয়ে প্রাউন্ড ফিল করবে। সুশীল'রা আজ মাঠে নেমে তাদের বাণী প্রসব করছে এই বলে যে~ খবরদার মুসলমান কুকুর পায়ে কামড় দিলে তুমি কিন্তু দিও না। কিন্তু মুসলমান জানে কুকুরের পায়ে কামড় দিবো না, কিন্তু ঠিকই কুকুরের জন্য মুগুরের ব্যবস্থা আছে। মুগুর না দিলে এরা কামড়াতেই থাকবে জন্ম থেকে জন্মান্তরের।

এইসব সুশীল'রা হলো মিচকা শয়তানের মত। মিচকা শয়তান নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন~ যার রাগ নেই সে মিচকা শয়তান। এইসব শয়তানদের পাছায় লাথি দিলেও লাথি খেয়ে মুচকি হেসে বলবে ~ লাথিটা বার্গারের মত ছিলো। মিচকা শয়তান'রা জিহাদের বাসনা জাগ্রত করতে দেয় না। কারণ এইসব সুশীল'রা জানে এরা সেই জাতি যারা চারশো সৈন্য নিয়ে বদর, উহুদ, খন্দকের যুদ্ধে জয়লাভ করেছে।
এইসব সুশীল'রা এই বাণী প্রসব করছে কিন্তু মুসলমান ঠিকই জানে তাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় রাজত্বকারী মহামানব মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে ২৭ টি যুদ্ধ করেছেন। সো খেলা মাত্র শুরু যার শেষ পরিণতি হবে গাজাওয়াতুল হিন্দের মধ্য দিয়ে।

কপি

১০০ বছর পর পর!

২২তম ব্যাচ চবির ওয়াল থেকে
১৭২০ এ প্লেগে মৃত্যু ২০কোটি মানুষের
১৮২০ এ কলেরায় মৃত্যু ৪কোটি মানুষের
১৯২০ এ স্প্যানিস ফ্লু-তে মৃত্যু ৫কোটি মানুষের
২০২০ এ করোনাভাইরাস,,,,,,,,

প্রতি ১০০ বছর পর পর ঘটে আসছে মৃত্যুর মিছিল।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্থ থাকুন
নিরাপদে থাকুন,
সাবধানে থাকুন

নাছির উদ্দিন হোজ্জার গল্প-

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে মেহমান এসেছে। বড় হাড়ি প্রয়োজন। প্রতিবেশির বাড়ি গিয়ে বললেন, আপনার বড় হাড়িটা ধার দিন তো।
পরদিন সকালেই হাড়ি ফেরত দিতে গেলেন। সাথে ছোট একটা হাড়ি।
প্রতিবেশি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, এটা কি?
হোজ্জা বললেন, এটা হাড়ির বাচ্চা। হাড়ি যখন আপনার তখন হাড়ির বাচ্চাও আপনার।
প্রতিবেশি খুশী হয়ে বাচ্চাসহ হাড়ি নিয়ে ভেতরে গেল।
কদিন পর আবারও হাড়ি ধার করতে হল হোজ্জাকে। সেই হাড়ি আর ফেরত দেন না। একসময় বাধ্য হয়ে প্রতিবেশি এসে হাড়ি চাইল।
হোজ্জা বললেন, আপনার হাড়ি মারা গেছে।
প্রতিবেশি রেগে গেল শুনে, হাড়ি মারা যায় এমন কথা কেউ শুনেছে ?
হোজ্জা বললেন, হাড়ির যদি বাচ্চা হতে পারে তাহলে মরতে দোষ কোথায় ?
---------------------------

বাঙ্গালীর ভাষা প্রীতি!

এক শিক্ষক তাঁর তিন ছাত্রের হাতে মরিচ দিয়ে বললেন, এই বিড়ালটিকে মরিচ খাওয়াও।

প্রথম ছাত্র মরিচ বিড়ালের মুখের কাছে নিয়ে গেল বিড়াল গন্ধ শুঁকেই মুখ ফিরিয়ে নিল।

দ্বিতীয় ছাত্র দুধের সাথে মরিচ মিশিয়ে দিল, বিড়াল গন্ধ পেয়ে দুধই খেলনা।

তৃতীয় ছাত্র জোর করে ধরে
বিড়ালকে মরিচ খাওয়াতে গিয়ে নখের আঁচরে আহত হল।

এবার শিক্ষক নিজের হাতে কিছু মরিচ নিয়ে বিড়ালের পেছনে ডলে দিলেন। মরিচের জ্বালা সইতে না পেরে বিড়াল নিজেই তার জিহ্বা দিয়ে মরিচ চেটে খেতে শুরু করল, আর ঘুরে ঘুরে নাচতে লাগল।

পাকিস্তান ও আমাদের সামনে দিয়ে উর্দু খাওয়াতে চেয়েছিল আমরা খাইনি, আর ইন্ডিয়া আমাদের পিছনে হিন্দী ডলে দিয়েছে,
তাঁদের ডিশ চ্যানেল দিয়ে আমরা এখন নাচি আর খাই।  সাবাস বাঙ্গালী!!

একুশের আক্ষেপানুরাগ

বেশ কয়েক বছর থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারির অঙ্গীকার ছিল অফিস আদালতে শতভাগ বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা। বিদেশী ভাষার ব্যবহার কমানো, ব্যানার, ফেস...