বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

স্ট্রাগল আর সেক্রিফাইস।

শেষ হয়ে যাওয়া টুথপেষ্টের গলা টিপে টিপে যারা টুথপেষ্ট বের করতে পারে, তারা জীবন সংগ্রামে বাধার পাহাড় দেখে উল্টা পথে দৌঁড় দিতে জানে না। যে বাবা পেনশনের টাকা দিয়ে হাজারটা খরচের খাত থেকে একটা খাত বাছাই করে খরচ করে, সে বাবার সন্তানেরা নেশার গলিতে হারিয়ে যায় না। যে মা মাসের পর মাস ক্ষুধা নেই বলে, নিজের পেট খালি রেখে সন্তানদের খাওয়ায়, সেই মায়ের ফ্যামিলিতে ভাঙ্গন ধরে না।
:
যে ছেলেটা টিউশনির বেতন পেয়ে, অসুস্থ মায়ের জন্য ঔষধ কিনে বাড়ি ফিরে, সে ছেলে রাতে গেমস আর আড্ডায় সময় নষ্ট করে না। যে মেয়েটা টাকা বাঁচাতে লুকিয়ে লুকিয়ে দুই গ্লাস পানি খেয়ে দুপুরের লাঞ্চ সেরে ফেলে, সেই মেয়েটা বাবা মায়ের অসহায়ত্বের দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলে না। যেই ফ্যামিলিতে অর্থের যত অভাব, সেই ফ্যামিলির বন্ধন তত অটুট।

একটা মিডেল ক্লাস ফ্যামিলির ভিত্তিই হলো স্ট্রাগল আর সেক্রিফাইস। যেখানে বাবা হচ্ছে স্ট্রাগলের কিং আর মা হচ্ছে সেক্রিফাইসের কুইন। মায়ের বিয়ের দিন থেকেই শুরু হয় সেক্রিফাইসের শোভাযাত্রা। নিজের চাওয়া পাওয়াকে আলমারিতে লুকিয়ে রেখেই শুরু করে দেয় ফ্যামিলি গড়ায় অবিরাম সেক্রিফাইস। পরিবারে সন্তান আসলেই সেই সেক্রিফাইসের হার দশগুণ বেড়ে যায়।

সেক্রিফাইসের আট ভাগ চলে যায় সন্তানের পিছনে। এক ভাগ স্বামীর পিছনে আর একবার ফ্যামিলির পিছনে। বোকা মহিলা নিজের আশা-আকাঙ্ক্ষার জন্য একভাগ সময়ও রাখে না। একজন মা-শিক্ষক হয়ে সন্তানকে পড়ান, বাবুর্চি হয়ে রান্না করেন, পার্সোনাল এসিষ্ট্যান্ট হয়ে সবকিছু ঠিক-ঠাক করেন, বডিগার্ড হয়ে নিরাপত্তার বেষ্টনীতে আগলে রাখেন, ভালবাসা দিয়ে দুঃখ-কষ্ট দূর করেন।

অন্যদিকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাবার ষ্ট্রাগলের পরিমানটাও বাড়তে থাকে। রিটায়ার্ড করা একজন বাবার পক্ষে সংসারের খরচ মিটানো, ছেলে-মেয়ে কে মানুষ করানো যে, কত বড় সংগ্রাম সেটা বাবারাই শুধু বলতে পারেন। মা হচ্ছেন বাবার এই স্ট্রাগলের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।

মিডেল ক্লাসের মেয়েরা অর্ধেক জীবন সেক্রিফাইস করে বাবার ফ্যামিলিতে, বাকী অর্ধেক জীবন সেক্রিফাইস করে স্বামীর ফ্যামিলিতে। আর মিডেল ক্লাসের ছেলেরা প্রেমিকার হাত ছেড়ে দিয়ে, এক বুক কষ্ট চেপে ধরে, নিজেকে স্টাবলিষ্ট করার নেভার ইন্ডিং যুদ্ধে নেমে পড়ে। এটাই জীবন, এটায় বাস্তবতা। এসব ছেলেদের পিছুটান থাকে বলে সবকিছু ইচ্ছে মতো করতে পারে না।

সত্যিকার অর্থে জীবন কে উপভোগ করে মধ্যবিত্তরা!

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

ভালবাসা রং বদলায়!

সুবর্ণা মুস্তফার সাথে একবার হুমায়ুন ফরিদীর প্রচণ্ড ঝগড়া হলো, রাগ করে সুবর্ণা অন্য রুমে গিয়ে দরজা আটকে শুয়ে পড়লেন।

সুবর্ণা সকালে উঠে দরজা খুলে দেখেন, যেই রুমে ঝগড়া হয়েছিল, সেই রুমের মেঝে থেকে ছাদের দেয়াল পর্যন্ত একটি কথাই লিখে পুরো রুমকে ভরে ফেলা হয়েছে, কথাটি হল- 'সুবর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি'|

এতো ভালোবাসাও তাদের বিচ্ছেদ ঠেকাতে পারেনি, ২০০৮ সালে ডিভোর্স হয়। কারণ ভালোবাসা রং বদলায়..!

জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন-
'প্রেম ধীরে মুছে যায়; নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।'

এই জীবনানন্দকে একবার দেখেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে লাবণ্যপ্রভা। সাহিত্যের ছায়া থেকে একশ হাত দূরে থেকেও সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র এই লাবণ্য।

সেও কিছুকাল পরে টের পায় তার স্বাধীনতা হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তির জন্য ছটফট করতে থাকে। দুর্বিষহ হয়ে উঠে দুজনের জীবন। প্রেম সত্যি একসময় মুছে যায়।

গুলতেকিন নামের ক্লাস টেনের সেই কিশোরী হুমায়ুনের প্রেমে অন্ধ হয়ে বিয়ে করে ফেলে।

বিয়ের পরে সে জানতে পারে যে লেখক হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে খুবই সাধারণ। বাস্তব জীবনে সে চাঁদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে না, কবিতা আওড়ায় না। তার মধ্যে আলাদা কিছু নেই। সে আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ।

স্বপ্ন ভঙ্গের মতো ব্যাপার"
গুলতেকিন বারবার বলতে থাকে- 'তোমার লেখাই ভালো, অন্যকিছু ভালো না।'

আসলেই ভালোবাসা রং বদলায়!
নন্দিতা রায়ের 'বেলাশেষে' সিনেমায় এই কঠিন ব্যাপারটা খুব সহজভাবে বুঝানো হয়েছে-

'হাতের ওপর হাত রাখা খুব সহজ,
সারাজীবন বইতে পারা সহজ নয়!'

সহজ না হওয়ার কারণ ঐ একটাই-
'ভালোবাসা রং বদলায়' 🙃

আসলে প্রেম ভালবাসার সহজলভ্যতার এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিরল দুটি জিনিস-
"মনের মানুষ" এবং "মানুষের মন"।

এই দু'টোর উপর বিশ্বাস থাকা ভাল এবং উচিতও বটে। তবে সেটা কেবলই নিজের মধ্যে। কখনোই এগুলো নিয়ে অতি আত্মবিশ্বাসী বড়াই দেখানোও উচিত নয়।

কারন হাওয়ার দিক পরিবর্তন হয়ে কখন কোনদিকে বয়ে যায় সেটা সর্বদাই অনিশ্চিত। হোক সেটা প্রকৃতির হাওয়া অথবা মনের।

সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৮

যে ১০টি কারণে বই পড়ুয়া ছেলেরা প্রেমিক হিসাবে ভালো!

ভাবছেন এটা আবার কেমন কথা হলো? আসলেই কিন্তু
বিষয়টা ভেবে দেখার মত। হ্যাঁ,
আজকাল অনেকেই বই পড়েন না ভুলেও।
তবে এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম
না, যারা কিনা বইয়ের সাথেই
থাকতে ভালোবাসেন। এই বই
পড়ুয়া মানুষগুলো কিন্তু বাস্তব
জীবনেও অন্যরকম হন। কেমন? এই যেমন বই
পড়ুয়া ছেলেরা প্রেমিক
হিসাবে চমৎকার হয়ে থাকেন, অন্য
যে কোন ছেলের চাইতে ভালো!
কিন্তু কেন তাঁরা সেরা? জেনে নিন
বই পড়ুয়া প্রেমিকের ১১টি গুণের খবর!
১) তিনি জানেন, তাঁর
অভিজ্ঞতা অনেক বেশী
একজন পাঠকের অভিজ্ঞতা অন্য
যে কারো চাইতে অনেক বেশী।
বইয়ের জগতের
মাধ্যমে তিনি রাজপুত্রের জীবন
যাপন করেছেন, করেছেন ফকিরের
জীবনও যাপন। তিনি জানেন অনেক
বেশী, তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাও
বেশী। ফলে তিনি শান্ত ও স্থির। হ্যাঁ,
সম্পর্কের ক্ষেত্রেও।

২)
মাঝপথে পালিয়ে যাবার
প্রবণতা তাঁর নেই
একজন পাঠক কখনো বই শেষ
না করে ছাড়েন না। আর সেই
অভ্যাসটা দেখা যায় তাঁদের
জীবনের ক্ষেত্রেও। কাজ হোক
বা সম্পর্ক, কোনটাই
তাঁরা মাঝপথে ফেলে রেখে পালিয়ে যান
না।

৩) তিনি জানেন
সমঝোতা করতে
বইয়ের জগতে বসবাস
করতে করতে মানুষের জীবনের নানান
পরিস্থিতির সাথে তাঁর পরিচয় হয়।
তিনি শিখে ফেলেন
জীবনে সমঝোতার গুরুত্ব ও উপায়।

৪) তিনি মেয়েদের
সম্পর্কে জানেন ও বোঝেন
পড়ুয়া পুরুষেরা সেই সব ছেলেদের
তালিকায় পড়েন না, যারা কিনা শুধু
মেয়েদের নিয়ে অলীক
কল্পনা করে কাটায়। বরং একজন বই
পড়ুয়া পুরুষ মেয়েদেরকে জানেন,
বোঝেন, তাঁদের সম্পর্কে ভাবেন
এবং তাঁদেরকে দেখেন একদম ভিন্ন
চোখে।

৫) তিনি কৌতূহলী
নিঃসন্দেহে পড়ুয়া মানুষেরা কৌতূহলী,
আর সে কারণেই তিনি পড়েন। এমন
মানুষের সাথে জীবন
কখনো একঘেয়ে হয়ে যাবে না,
সম্পর্কও না।

৬) প্রথম দর্শনেই তিনি পাগল হন
না
একজন ভালো পাঠক জানেন যে প্রথম
দর্শনে কোন
কিছুকে ভালবাসলে পরে পস্তাতে হয়।
জেনে,বুঝে,পড়ে তবেই
ভালবাসতে অভ্যস্ত তিনি। আর তাই
তিনি যখন আপনাকে ভালবাসবেন,
জেনে নেবেন
যে কাজটা তিনি জেনে-বুঝেই
করছেন।

৭) তাঁর আদর্শ অন্যদের
চাইতে উন্নত
একজন বই পড়ুয়া মানুষের অভিজ্ঞতা ও
জ্ঞানের মানুষ তাঁকে অন্যদের
চাইতে উন্নত মানুষ হতে সহায়তা করে।
স্বভাবতই মানুষ
হিসাবে তিনি আদর্শগত দিক
থেকে অনেকটাই উন্নত হয়ে ওঠেন। এমন
একজন রুচিশীল মানুষের
সাথে জীবনটা হয়ে উঠবে সুন্দর।

৮) তিনি চাকচিক্যে ভোলেন
না
একজন ভালো পাঠক কেবল বইয়ের মলাট
দেখেই ভালোমন্দ বিচার করেন না।
আর এই অভ্যাস তাঁর বাস্তব জীবনেও
রয়ে যায়। কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য
দেখে তিনি ভোলেন না,
তিনি জানেন সনাতনের গুরুত্ব। সব নতুনই
যে ভালো নয়, চকচক করলেই
যে সোনা হয়
না ইত্যাদি তিনি ভালোই বোঝেন।

৯) তিনি পুরনোকে ভয় পান না,
ভালোবাসেন
সম্পর্ক পুরনো হয়ে যাওয়া যে কোন
মানুষের বড় ভয়। কিন্তু পড়ুয়া পুরুষদের
এটা নেই। পুরনো বইয়ের মতই
তাঁরা পুরনো প্রেমিকা ও
পুরনো সম্পর্কের কদর করেন।

১০) তিনি জানেন
কীভাবে বুঝে নিতে হয়
মনে কথা বুঝতে পারার
গুণটি ভালো পাঠক মাত্রই আছে। আর এই
গুণ যখন প্রেমিকের মাঝে থাকবে,
ভাবুন তো জীবনটা কত সহজ হবে।

সূত্র-
"এলিট ডেইলিতে" প্রকাশিত "11
Reasons Why Men Who Read Make Better
Boyfriends" অবলম্বনে রচিত।
মূল লেখা- Lauren Martin (Senior Lifestyle
Writer,Elite

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮

নারীর দায়িত্ব!

    মুসলিমাহ নারীদের কাজ "বাচ্চা জন্ম দেওয়া" এবং "স্বামীকে খুশি করা" বলতে শুনলেই আমাদের মুসলিমদের গায়ে যেন দাউদাউ করে আগুন জ্বলে যায়! কেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কি এটাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব করে দেন নি? আল্লাহর তা'আলার ইবাদতের জন্য আমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। সত্যি কথা। কিন্তু একজন নারীর প্রধান দায়িত্ব কি??

যেই চারজন নারী জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ আসনে থাকবেন, যারা দুনিয়া ও আখিরাতে সবচেয়ে সম্মানিত, যাদের মর্যাদা পুরো পৃথিবীর সব নারীর মধ্যে সবচাইতে বেশি; তাঁরা এই অবস্থানে কেন আছেন??

কি করেছিলেন তাঁরা? কীভাবে আল্লাহর ইবাদত করেছেন যে তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে এতোটা বেড়ে গেছে??

এই চারজনের প্রত্যেকেই তাদের মা এবং স্ত্রী হবার কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই এই মর্যাদার উপযোগী হয়েছেন।

মারইয়াম (রা) হলেন সেরাদের সেরা। তিনি সমগ্র বিশ্বের নারীদের মাঝে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। তাকে নিয়ে কুর'আনে বলা হয়েছে -

"হে মারইয়াম, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের ঊর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।" [সূরা আলে ইমরান: আয়াত ৪২]

এই মারইয়াম, আল্লাহর কাছে তাঁর সম্মান পেয়েছেন ঈসা (আ) এর মা হবার কারণে। একজন মা হওয়া অনেক বড়ো ব্যাপার। মা হবার কষ্ট, ধৈর্য্য, সন্তান লালন-পালন এবং সুসন্তান গড়ে তোলা বিশাল ব্যাপার, বিশাল! এই প্রতিটা কাজ আল্লাহর ইবাদতের অংশ। আর এভাবে ইবাদত করেই তিনি অর্জন করেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ অবস্থান।

দ্বিতীয় খাদিজা (রা)। নবীজি (সা) এর জন্য তিনি কতো ত্যাগস্বীকার করেছেন, পড়তে পড়তে চোখ দিয়ে পানি আসে। সত্যি বলবো, আমি জানি, আমি কোনদিন এতোটা করতে পারবো না নিজের স্বামীর জন্য। বরং আমরা তো অতি তুচ্ছ ব্যাপারেও ধৈর্য্যহারা হয়ে পড়ি।

তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে আছেন আসিয়া ও ফাতিমা (রা)। দুজনের একজন মা এবং একজন স্ত্রী হিসেবে নিজের দায়িত্ব অত্যন্ত সুষ্ঠুরূপে পালন করেছেন।

এই চারজন নারীর কেউ-ই বাইরে পড়াশোনা করতে যান নি। ঘরের বাইরে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য-চাকরিবাকরি করতে যান নি। হ্যাঁ, আপনি বলবেন - ওগুলো তো হাজার বছর আগের কথা ছিল। এখন সময় বদলেছে, এখন নারী-পুরুষ সব সমান। সবাই ঘরের বাইরে যাওয়াই এখন স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদেরকে বুঝতে হবে, দ্বীনের কিছু কন্সট্যান্ট বিষয় আছে। দ্বীনের এই ভিতগুলো যুগের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়ে যায় না। আল্লাহ তা'আলা ইসলামকে সব যুগের উপযোগী করেই প্রেরণ করেছেন। এতে হেরফের করার কোন প্রয়োজন নেই।

আমরা সঠিক ইসলামের অনুসারী হলে জেনে থাকবো, আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের চূড়ান্ত সাফল্য কখোনোই এইসব দুনিয়াবি পড়াশোনা কিংবা ক্যারিয়ারের ওপর নির্ভর করে না। রিকশাওয়ালার গরিব বউটা, যে বাচ্চা আর সংসার ছাড়া কিছুই জানে না, সেও জান্নাতে এই লন্ডনে পড়া আমার চাইতে উপরে অবস্থান করতে পারে, শুধুমাত্র তার ঈমান, আমল, ও ইবাদতের জোরে। আমাদের শুনতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু সত্য শ্রুতিমধুর না হলেও বদলে যায় না।

বর্তমান সমাজে সম-অধিকারের জোয়ার এসেছে। মেয়েদেরকে পড়াশোনা করতে হবে। শুধু তাই নয়, আমাদেরকে ক্যারিয়ারিস্ট ও অ্যাম্বিশাস হতে হবে। এই ডিগ্রি নেওয়ার কারণই হলো যেন আমরা আমাদের ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে পারি। যেন দুনিয়াবি একটা পদমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। সমাজ বেধেই দিয়েছে মেয়েদের কাজগুলো কী কী। মেয়েদেরকে পুরুষের মত ঘর থেকে বের হয়ে অবশ্যই চাকরি-বাকরি করতে হবে। কোন নারী যদি নিজের ইচ্ছায় ঘরে বসে থাকে, যদি সে ভাবে "আমি এতো কষ্ট করে চাকরি করতে চাই না, শুধু সন্তানকে সময় দিতে চাই," তাহলে তাকে বাঁকা চোখে দেখা হবে। লোকের নজরে, সমাজের নজরে সে নিশ্চিতভাবেই নিচু বলে গণ্য হবে। আপনি এটাকে "অধিকার" বলেন? আমি বলবো, চাপিয়ে দেওয়া বোঝা। অত্যাচার। জুলুম। এভাবে নারীদেরকে এমন কিছু কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে যা তার স্বাভাবিক প্রকৃতির সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কিন্তু সমাজের বেধে দেওয়া স্ট্যান্ডার্ড বলে কথা! এবার পালাবি কোথায়? না চাইলেও এই বোঝা বয়ে বেড়াও। তা নাহলে "সম্মান" থাকবে না।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, সম্মান আসলেই থাকে না। সম-অধিকারের কথা বলে ফেনা তোলা বুদ্ধিজীবিরা এমনভাবেই আমাদের জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্যকে মেপে দিয়েছে। এই মাপের চুল পরিমাণ বাইরে গেলেই আমি গোঁড়া, অশিক্ষিত, গোয়ার, মূর্খ, সস্তা হাউজওয়াইফ। আমার চাইতে বাইরে সেজেগুজে কাজ করতে যাওয়া একজন নারীর সম্মান ও মর্যাদা সমাজের চোখে অনেক বেশি। কিন্তু আল্লাহর চোখেও কি তাই? ওয়াল্লাহি, আল্লাহর চোখে যদি তা হতো, তবে কখনোই ঐ চারজন নারী জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনের অধিকারী হতেন না।

এবার একটু চিন্তা করে দেখি, কাদের থেকে এই বিকৃত চিন্তার সূচনা?? কারা আমাদেরকে এমন বিকৃত মানসিকতা উপহার(!) দিচ্ছে?

নিঃসন্দেহে ইসলামের বিপরীতে অবস্থিত কিছু মানুষের মগজ থেকে এসবের আগমন। যেই মগজে শয়তান দখল বসিয়ে ভিত্তিহীন কথা বের করে। আমি একবার এখানে এক feminist activist এর সাথে কথা বলেছিলাম। অমুসলিম এক মেয়ে। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমরা অধিকার চাও ঠিক আছে। কার সমান অধিকার চাও? পুরুষের সমান??

হাস্যকর, একজন নারী হয়ে, নারীত্বকে বিলীন করে দিয়ে "পুরুষ জাত"এর সমান হওয়াটাই নাকি আমাদের জীবনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত!

তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমাদের গন্তব্য কী? ওদের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত feminist কাউকে সরকারের উঁচু পদে বসানো। আমি বললাম, তাহলে সেটা কি একজন পুরুষের জন্য unfair হয়ে যায় না? আমরা নিশ্চয়ই জানি, নারী ও পুরুষ এক ধাচে চিন্তাভাবনা বা কাজকর্ম করে না। শারীরিক, মানসিক সবখানেই আমাদের কিছু পার্থক্য স্বাভাবিক ভাবেই আছে। তাহলে একজন ফেমিনিস্ট যখন আইন তৈরি করবে, স্বভাবতই তা হবে নারীদের পক্ষে এবং পুরুষের প্রকৃতি ও স্বভাবের বিপক্ষে। কারণ একজন মানুষের পক্ষে বিপরীত লিঙ্গকে ঠিক বিপরীত লিঙ্গের মত করে বোঝা সম্ভব নয়। ঠিক একই কারণে পুরুষদের তৈরি আইনও নারীদের জন্য যথাযথ হয় না। মেয়েটা একমত হয়েছিল।

কিন্তু তার কাছে কোন সমাধান ছিল না। আল্লাহর পরিচয় নিয়ে গাফেল কারো কাছ থেকে আমি সমাধান পাবার আশাও করি না। কিন্তু সুবহান আল্লাহ! আল্লাহ আমাদেরকে ইসলাম দিয়েছেন। প্রতিটা সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। আমাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট আইন তৈরি করে দিয়েছেন। নারীবাদ বা পুরুষতান্ত্রিক একপেশে আইন নয়, মহান রবের পক্ষ থেকে আগত আইন, যিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা এবং আমাদের সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত। এই মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব শিখিয়ে দিয়েছেন। তাই আল্লাহপ্রদত্ত দায়িত্বগুলো কখনোই আমাদের ওপর জুলুম, অন্যায়, unfair নয়। হতে পারে না। আল্লাহ তা'আলা নারীকে মাতৃত্ব ও স্ত্রীত্বের দায়িত্ব দিয়ে অসম্মানিত বা জুলুম করেন নি, বরং এই সমাজের নিয়মগুলোই জুলুম। আপনি বুঝতে পারছেন না, আপনার কাছে ইসলামের সমাধানটা যুগের অনুপযোগী মনে হচ্ছে, আপনার চিন্তার সীমাবদ্ধতার কারণে। খোলা মনে আলোচনায় বসুন, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে কথা বলুন, আপনার সংশয়-সন্দেহ দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

আমরা আজকে ইসলামের আদর্শ থেকে হয়ত কয়েক আলোকবর্ষ দূরে পড়ে আছি। আমরা পড়াশুনা কমপ্লিট করার জন্য বিয়ের মত প্রয়োজনীয় ইবাদাত পালন করতে দেরী করি, চাকরি করার জন্য জন্ম-নিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার করি! সুবহান আল্লাহ! মা হবার মর্যাদাকে আমরা এতো সহজে উপেক্ষা করে ফেলছি। ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে আজ আমরা স্বামীকে সময় দেওয়ার ফুসরত পাই না। হায়! কোথায় মারইয়াম, খাদিজা, ফাতিমা, কোথায় আমরা! অথচ আমরাই "নারীদের পড়াশুনার বিপরীতে" কেউ কিছু বললে ধেয়ে যাই। তাকে পারলে সেখানেই ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলি। তাকে বুঝাতে যাই, খাদিজাও তো ব্যবসা করেছিল, হুম! অথচ আমরা ভুলে যাই, খাদিজা ব্যবসা করার জন্য্যে বাড়ির বাইরে পা রাখেন নি। আমরা মনে রাখতে চাই না, খাদিজা, মারইমায়, আসিয়া, ফাতিমাদের জীবনের অন্যান্য দিকগুলো! আমরা এভাবে ভাবি না যে, উনারা তো সেক্যুলার পড়াশুনাও করেন নি, তবে আমরা কেন ফিতনা মাথায় নিয়েও সেক্যুলার পড়াশোনা ও চাকরি-বাকরি করবো?

এবার একটু চিন্তা করে দেখুন, কেন আমরা "সেক্যুলার শিক্ষা"র বিপরীতে যুক্তি শুনলে এতো খেপা? কেন স্ত্রী হবার কথা, বাচ্চা নেবার কথা আসলেই আমাদের মুখ চুপসে যায়? কেন আল্লাহর দেওয়া নারীদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশটা আমাদের চোখে পড়ে না?

এর কারণ আমরা আসলে ইসলামকে দেখি কাফেরদের লেন্স থেকে। তারা যেভাবে দেখাতে চায়, সেভাবে। কাফের ভার্সনের একটা মডারেট ইসলাম তৈরি হয়েছে। সেখানে ইসলামের লেবাস জড়িয়ে জাহেলিয়াত পালন করা যায়। আমরা জেনে না জেনে সেটাই করি। কাফেররা আমাদেরকে ফেমিনিজম শেখাতে চেয়েছে, তারা সফল। আমাদেরকে ক্যারিয়ারিস্ট করতে চেয়েছে, সেখানেও আমরা ধোঁকা খেয়ে বসে আছি।

আজকে সমাজে সম-অধিকারের জয়জয়কার। নারীবাদের দাপটে টেকা দায়! তাই আমি অবশ্যই মনে করি, নারীদের ব্যাপারে ইসলামের সঠিক শিক্ষা, সাহাবীদের ঐতিহ্য ও জান্নাতী রমণীদের জীবন থেকে মানুষকে বোঝানো দরকার খুবই বেশি। এই দায়িত্ব শুধু আলেমদের নয়, এই দায়িত্ব আপনার-আমার-সবার। এই পুরো পোস্টটি লেখার কারণ একজন মাওলানার ভিডিও। যিনি উত্তম ভাষাশৈলী ব্যবহার না করলেও মূলত উপরের বক্তব্যই দিতে চেয়েছেন। এই আলেমকে আমি চিনি না, কোনদিন নামটাও শুনি নি, আর আমি তার অনুসারীও নই। কিন্তু আল্লাহর শপথ, আমি এই আলেমের চাইতে তাদেরকে অনেক বেশি ভয়াবহ ও ইসলামের শত্রু মনে করি, যারা ইসলামের সত্যিকার শিক্ষাকেই বদলে দিচ্ছে। যারা ক্রমাগত কাফেরদের চিন্তাচেতনায় প্রভাবিত হচ্ছে। যারা সমাজের বুদ্ধিজীবিদের এজেন্ডা পালনের জন্যই ইসলামকে ব্যবহার করে চলেছে, জেনে কিংবা না-জেনে।

কই আমরা তো তাদের দিকে তেড়ে যাচ্ছি না। আসলে তারা এতোটাই সূক্ষ্মভাবে আমাদের মন ও মগজকে কব্জা করে ফেলেছে যে, আমরা তাদের চালগুলো ধরতেই পারিনা। কিন্তু প্রভাবিত আমরা নিঃসন্দেহে হয়েছি। আর তাই তো, সেক্যুলার লেখাপড়া বাদ দেবার কথা শুনলে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়। কিন্তু ঘরে বসে স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার কথায় আমরা ইতস্তত করি। তখন আর একমত হতে পারি না যে ইসলাম নারীদের বাইরে যাওয়া অপছন্দ করে। তখন আমাদের চুলকানি শুরু হয়। বাচ্চা পেছানোর কথা উঠলে আমরা তো নির্বিকার। এগুলো যেন কোন সমস্যাই না! নিকাব পরে অনেকের মুখেই শুনি - তুমি কেন নিকাব পরো, এটা কি ফরয? অথচ সেক্যুলার পড়াশোনা একটা মুবাহ বা ঐচ্ছিক কাজ। সেটা নিয়ে কিন্তু আমাদের মনে এতো প্রশ্ন নেই। আমরা আসলে কোন বিষয়টাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি? আল্লাহর ইবাদত, নাকি সমাজের রীতিনীতি? শেষ পর্যন্ত, আমরা আসলে ঐ ইসলামের নামে দুই নৌকায় পা দিয়েই চলছি। জাহেলিয়াতের বীজ এখনো আমাদের মাথায় গেঁড়ে আছে বলেই ইসলামের শিক্ষা মেনে নিতে আমাদের গা কুটকুট করে।

আল্লাহ আমাদেরকে হিদায়াত দিক! আমাদেরকে জাহেলিয়াত থেকে মুক্তি দিক, আমীন।

আমি নিজে সেক্যুলার এডুকেশন নিয়ে পড়ে আছি। আমি হয়ত স্বামীর মন জয় করতে পারছি না, কিন্তু তারপরেও আজ এই বড় বড় কথাগুলো বললাম। নিজের দুর্বলতার কারণে যেন সত্য প্রকাশে আমরা কুণ্ঠিত না হই। সবার কাছে দু'আ চাই যেন সমাজের বেড়াজাল থেকে নিজের চিন্তাচেতনাকে মুক্ত করতে পারি, যেন ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে পারি। আমি একজন বিবাহিত নারী। সুতরাং স্ত্রী এবং মা হিসেবে আমার সাফল্যেই আমার দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিহিত। এই কথাটা আমরা সব মুসলিমাহ যত তাড়াতাড়ি বুঝবো, ততোই মঙ্গল।

সবাই আমার জন্য দু'আ করবেন যেন নেক স্ত্রী ও নেক সন্তানদের মা হতে পারি। জাযাকুমুল্লাহু খাইর।

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

যদি সম্মানিত হতে চাও

"মিঠা দো আপনি হাছতি কো
আগর কুচ মরতবা চাহো
কে দানি খাক মে মিলকর
গুলে গুলজার হোতা হ্যা।"

অর্থাৎ-তুমি যদি কিছু উঁচু মর্যাদা চাও, তাহলে নিজের সম্মান কে ধুলিস্যাৎ কর, কারণ বীজ মাটির সাথে মিশে ফুল বাগান ও ফুল হয়ে থাকে।

ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া।

আপনি কি ঋণগ্রস্ত? অথবা আপনার পরিচিত কেউ? উত্তর যদি ‌'হ্যাঁ' হয়, তবে নিচের দোয়াটি শিখুন, নিয়মিত পড়ুন ও সবাইকে শেয়ার করুন।

তিরমিজি শরীফের হাদিস। একবার হযরত আলী রা: এর কাছে এক ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধের জন্য কিছু সাহায্য চাইলেন। এসময় আলী রা: তাকে বললেন, আমি কি তোমাকে কয়েকটি শব্দ শিক্ষা দেব না, যা আমাকে রাসুল সা: শিক্ষা দিয়েছেন? যদি তুমি এটা পড় তাহলে আল্লাহই তোমার ঋণমুক্তির ব্যাপারে দায়িত্ব নিবেন। যদি তোমার ঋণ পর্বতসমানও হয়।
এরপর আলী রা: ওই ব্যক্তি বললেন পড়-
اللَّهُمَّاكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
(আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিক, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক)
অর্থাৎ হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে তোমার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট কর। আর তোমাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী করো না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে স্বচ্ছলতা দান কর।
প্রিয় বন্ধুরা আসুন আমরাও বিশ্বাসের সাথে ওই দুয়ার মাধ্যমে আল্লার কাছে সাহায্য চাই। অবশ্যই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে সব ধরনের ঋণ থেকে মুক্ত করবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মহাকাশ!

আপনি কোথায়?
উত্তর: বাংলাদেশে।
⭕ বাংলাদেশ কোথায়?
উত্তর: এশিয়াতে।
⭕ এশিয়া কোথায়?
উত্তর: ৭৯২৬ মাইল ব্যাসের পৃথিবীতে।
⭕ পৃথিবী কোথায়?
উত্তর: ৩০০কোটি মাইল ব্যাপী বিস্তৃত সৌরজগতে।
⭕ সৌরজগৎ কোথায়?
উত্তর: এক হাজার কোটি সৌরজগৎ নিয়ে গঠিত ৫.৭ট্রিলিয়ন বা ৫৭০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০০ মাইল ব্যাপী মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সিতে।
⭕ এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোথায়?
উত্তর: এরকম কয়েকশো থেকে কয়েক হাজার গ্যালাক্সির সমন্বয়ে গঠিত ৪বিলিয়ন ট্রিলিয়ন মাইল বা ৪০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০০মাইল ব্যাপী গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে!
⭕ গ্যালাক্সি ক্লাস্টারটা আবার কোথায়?
উত্তর: এরকম অনেক গুলো ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত সুপার ক্লাস্টারে।
⭕ এই সুপার ক্লাস্টার আবার কোথায়?
উত্তর: অনেক গুলো সুপার ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত সুপার সুপার ক্লাস্টারে।
⭕ সেটা আবার কোথায়?
উত্তর: অনেকগুলো সুপার সুপার ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত ট্রিপল সুপার ক্লাস্টারে। এভাবে চলতেই থাকবে... চলতেই থাকবে...!!!
⭕ এটাই কি মহা-বিশ্বের পরিসীমা?
উত্তর: মোটেই না! মাত্র .০১%বলা হয়েছে; বাকি ৯৯.৯৯%বিজ্ঞানীরা চিন্তাও করতে পারছেনা...!!!
সূএ : American NASA.....

""" আর এ সকল কিছুই রয়েছে আল্লাহ্‌ তায়ালার আরশের নিছে। সেই আল্লাহ্‌ কত বড়????

কোরআন শরিফে আছে প্রথম আসমান থেকে ২য় আসমানের দূর ত্ত ৫০০ বছরের রাস্তা। তাহলে মহান আল্লাহপাক আছেন আরশে আজিমে ৭ম আসমানের উপরে, মানে মাটি থেকে ৩৫০০ বছরের রাস্তা হলো ৭ম আসলাম তারপর আল্লাহ পাকের আরশে আজিম। আর ৭ম আসমান থেকে আল্লাহপাকের আরশ কত দূরে এটা মহান আল্লাহ ছাড়া জিবরাইল আঃ তো দূরের কথা কোন ফেরেশতাও জানে না।

আমরা আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি।
আমাদের অপরাধ সমূহ আল্লাহ্‌ মাপ করুন।
আমাদের জান্নাতের উপযোগী করে মরন দিয়েন, এই প্রার্থনা রব তোমার কাছে।।
আমীন।

একুশের আক্ষেপানুরাগ

বেশ কয়েক বছর থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারির অঙ্গীকার ছিল অফিস আদালতে শতভাগ বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা। বিদেশী ভাষার ব্যবহার কমানো, ব্যানার, ফেস...